বুধবার ৮ ফাল্গুন, ১৪৩০ ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বুধবার

মাত্র ১২ বছর বয়সে প্রথম গিনেস বুক রেকর্ড, ১৫ বছর বয়সে নারী কলামিস্ট হিসেবে রেকর্ড আবারো

মাত্র ৬ বছর বয়সে ছোট গল্প লেখা দিয়ে শুরু রিতাজ আল-হাজমি-র। তার এই উৎসাহ দেখে পারিবারিক ভাবেই সৃজনশীল লেখার ক্লাসে ভর্তি। তার পর একের পর এক রেকর্ড আল-হাজমির।
২০১৯ সালে তিনি তাঁর প্রথম ইংরেজি ভাষার উপন্যাস ‘ট্রেজার অব দ্য লস্ট সি’ প্রকাশ করেন আর ঠিক একই সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে ‘পোর্টাল অফ দ্য হিডেন ওয়ার্ল্ড’ প্রকাশ করেছিলেন। ২০২১ সালে তিনি তাঁর তৃতীয় উপন্যাস ‘বিয়ন্ড দ্য ফিউচার ওয়ার্ল্ড’ প্রকাশ করেছিলেন।

১২ বছর বয়সেই তার বইয়ের একটি সিরিজের জন্য গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে জায়গা করে নেন রিতাজ আল-হাজমি। এরপর আবারো আলোচনার শীর্ষে আসেন তিনি সাংবাদিকতার জগতে পা রেখে, আর এসেই সৌদি আরবের রূপান্তরের নিয়ে লিখেছেন রিতাজ। দেশের অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটানোর জন্য নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা তুলে ধরেছেন। আর বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ নারী কলামিস্ট হিসেবে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডে স্থান করে নিয়েছেন।

সৌদি আরবের রূপান্তরের নিয়ে লিখা নিউজের জন্য টানা ১০টি নিবন্ধ লেখার পর রিতাজকে দ্বিতীয়বারের মতো গিনেস বুকে ঠাঁই দেওয়া হয়েছে। লেখাগুলোতে সৌদি আরবের ‘ভিশন-২০৩০’ এর আওতায় বড় বড় প্রকল্পগুলোর কথা তুলে ধরা হয়েছে। তিনি তার লিখায় তিনি কভার করেছিলেন সৌদি আরবের মহাকাশ কর্মসূচি ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় উদ্যোগের মতো বিষয়গুলোও।

তরুণ লেখকদের পরামর্শ দিয়ে তিনি তাদের উদ্দেশ্যে জানতে চাইলে বলেন — আপনি যদি লেখক হতে চান তবে একটি জিনিস আপনার মনে রাখা উচিত যে, আপনি যতই কষ্টের মুখোমুখি হন না কেন, আপনাকে সব সময় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা উচিত।

রিতাজ আল-হাজমি আরোও বলেন, লেখা হলো বিশ্বের সঙ্গে আপনার চিন্তাভাবনা এবং মতামত ভাগ করার একটি উপায়। এটি একটি সৃজনশীল প্রক্রিয়া, যার বিভিন্ন রূপ আছে। আপনার উপায়টি খুঁজুন!

আমি বিশ্বাস করি—আগামী কয়েক বছর ধরে বিশাল অগ্রগতি দেখতে পাবো, যা নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নেবে। সম্ভাবনা হলেও এটি সমৃদ্ধিশীল অর্থনীতির নিশ্চয়তা।

Categories: আন্তর্জাতিক

Tags:

Leave A Reply

Your email address will not be published.